• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

ছাত্রী ধর্ষণ, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ

111মাগুরা: পরিমল, ভজন সিকদারের পর এবার অলক সাহা নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী এ ঘটনার শিকার হন।

এদিকে, এ ঘটনার বিচারের দাবিতে মিছিল-পোস্টারিং করেছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা। পরে প্রধান শিক্ষকের হস্তক্ষেপে তারা শ্রেণি কক্ষে ফিরে যায়। অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে বাঁচাতে ও বিষয়টি আড়াল করতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করছেন। এই ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাথে কথা বলে বিষয়টির সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্কুলের দেয়াল ও পাশের ঝামা বাজারের বিভিন্ন দেয়ালে শিক্ষকের বিচার দাবি সম্বলিত পোস্টার সাঁটানো দেখা গেছে।  ধর্ষিত ছাত্রীর বাবা বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানালেও মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারছেন না।

ধর্ষিতার পরিবার জানায়, বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক অলোক সাহার কাছে আমাদের মেয়ে প্রাইভেট পড়তো। শনিবার ভোরে স্কুলের পাশের ভাড়া করা বাসায় পড়তে যায় সে। তার একাকিত্বের সুযোগে ওই শিক্ষক তাকে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিবারের লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়।

এই ঘটনার পর ধর্ষিত স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে আর আসেনি। এরপর অনেক অভিভাবক নিরাপত্তার কারণে তাদের মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চাচ্ছেন না। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকার শিক্ষক-অভিভাবক স্কুল ও আশপাশের এলাকায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করে পোস্টারিং করেছে।
ধর্ষিতার বাবা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মেয়েকে স্কুলে পড়তে দিয়ে সব শেষ হয়ে গেল। শিক্ষকের কাছে যদি ছাত্রীর নিরাপত্তা না পাই তাহলে আমরা কোথায় যাবো। ঝামা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। খোঁজখবর নিয়ে দেখছি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়েও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। মহম্মদপুর থানা পুলিশের ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। অভিযোগ পেলে দেখব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ